রাফি রাজশাহীতে একটি ছোট ব্যবসা চালান। ক্রিকেটে তার আগ্রহ ছিল আগে থেকেই, কিন্তু বেটিংয়ে নামার আগে তিনি প্রায় এক মাস শুধু পরিসংখ্যান পড়ে কাটিয়েছিলেন। 7wingame-এ যোগ দেওয়ার আগে তিনি অন্য দুটি প্ল্যাটফর্মে খেলেছিলেন — কিন্তু লাইভ অডসের মান এবং ইনপ্লে মার্কেটের বৈচিত্র্যে 7wingame-কে আলাদা মনে হয়েছিল।
রাফির কৌশলের মূল তিনটি স্তম্ভ
১. পিচ ও আবহাওয়া রিপোর্ট পড়া: রাফি প্রতিটি BPL ম্যাচের আগে উইকেটের ধরন (স্পিনবান্ধব নাকি পেসবান্ধব) এবং ডিউ ফ্যাক্টর বিবেচনা করতেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে টোটাল স্কোর মার্কেটে বাজি ধরতেন।
২. দলের ফর্ম ট্র্যাক করা: গত ৫ ম্যাচের ডেটা নিয়মিত সংগ্রহ করতেন। কোনো দলের টপ ব্যাটার চোটে থাকলে বা বোলিং কম্বিনেশন পরিবর্তন হলে সেটা অডসে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হওয়ার আগেই বাজি ধরতেন।
৩. বাজির আকার নিয়ন্ত্রণ: কখনো মোট ব্যাংকরোলের ৫%-এর বেশি একটি বাজিতে লাগাননি। এই নিয়মটাই তাকে বড় লস থেকে রক্ষা করেছে।
"7wingame-এর লাইভ অডস আপডেটের গতি দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। ইনিংসের মাঝপথে যখন অডস পরিবর্তন হয়, সেই মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা।"
— রাফি, রাজশাহীকোথায় সমস্যায় পড়েছিলেন
দ্বিতীয় সপ্তাহে রাফি পরপর দুটি আপসেট রেজাল্টে ভালো পরিমাণ হারান। সেই মুহূর্তে তিনি "রিভেঞ্জ বেটিং"-এর প্রলোভন অনুভব করেছিলেন — অর্থাৎ একটি বড় বাজি দিয়ে সব একবারে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা। কিন্তু তিনি তা করেননি। বরং সেই সপ্তাহে বাজির আকার আরও ছোট করে পরিস্থিতি সামলে নেন।
এই সংযমটাই তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে বড় লাভের পথ তৈরি করেছিল।